অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আনন্দের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। তবে দলীয় হতাশার মাঝেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেয়েছেন কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে নাসুম আহমেদ, তাওহীদ হৃদয় ও সাইফ হাসানের।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বল হাতে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করে সবচেয়ে বড় উন্নতি হয়েছে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের। ২৭ ধাপ এগিয়ে তিনি টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে উঠে এসেছেন ১১ নম্বরে। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা অবস্থান।
অধিনায়ক হিসেবে সিরিজটা প্রত্যাশামতো না গেলেও ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। তিন ম্যাচে ১০৫ রান করে তিনি র্যাঙ্কিংয়ে ৯ ধাপ এগিয়ে ৩০তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে সাইফ হাসান ১৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৫তম অবস্থানে উঠেছেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সুফল পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররাও। অধিনায়ক মিচেল মার্শ চার ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের তালিকায় নবম স্থানে উঠেছেন। আর পেসার নাথান এলিস তিন ধাপ এগিয়ে পৌঁছে গেছেন সপ্তম স্থানে।
এ দিকে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাস গড়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি। ওভাল টেস্টে ১১ উইকেট নিয়ে দলকে সিরিজে সমতায় ফেরানোর পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার ৮৭০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে জাসপ্রিত বুমরাহর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষস্থান দখল করেছেন।
এর মাধ্যমে ১৯৯০ সালে স্যার রিচার্ড হ্যাডলির পর প্রথম কিউই বোলার হিসেবে টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে উঠলেন হেনরি। নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে এর আগে কেবল জ্যাক কাওয়ি ও হ্যাডলিই এই কীর্তি গড়তে পেরেছিলেন।
খুলনা গেজেট/এএজে

